Type Here to Get Search Results !

(AIDS) এডস রোগ সম্পর্কে কয়েকটি অতি প্রয়োজনীয় বিষয়


AIDS ভাইরাস সংক্রমনের কারণ : 

1. কোনরকম সাবধানতা অবলম্বন না করেই এইডস রোগীর সঙ্গে অবাধ যৌনসংস্বর্গ,

2. দূষিত রক্ত বা রক্তজাত পদার্থ গ্রহণ,

3 . সংক্রমিত ব্যক্তির দেহে ব্যবহৃত সুচ ইত্যাদি যন্ত্রপাতি শোধন না করে ব্যবহার

4. ভাই গর্ভাবস্থায় নয়তো সন্তান প্রসবকালে রোগাক্রান্ত মাতার দেহ থেকে গর্ভস্থ সন্তানের দেহে সংক্রমণ। 


খ) (AIDS) এইডস ভাইরাস সংক্রমণের হাত থেকে বাচার উপায় :

দৈনন্দিন জীবনে স্বাভাবিক মেলামেশ বা যোগাযোগের সময় সংক্রমনের কোন আশঙ্কা থাকে না। নিচের বস্তু বা ব্যাপারগুলির মাধ্যমে Aids এর সংক্রমণ হয় না।


1. একই গৃহে বাস 

2. দৈনিক স্পর্শ বা করমর্দন 

3. একই শৌচাগার ব্যবহার

4. সর্দি হাঁচি কাশি 

5. একত্রে কাজ ও ভ্রমণ

6. একত্রে পান ও ভোজন

7. সাধারণ আলিঙ্গন ও আলতো চুম্বন।

8. দরজার হাতল ও টেলিফোন

9. মশা মাছি বা কীট পতঙ্গের মাধ্যমে

10. একত্রে খেলা একই বিদ্যালয়ের পক্ষে পড়াশোনা

এডস সংক্রমণ চেনার উপায় : 

বাইরে থেকে কোন পুরুষ বা স্ত্রীর লোককে দেখে বোঝা যায় না তার এইডস হয়েছে কিনা। একজন ব্যক্তিকে এডস সংক্রম সত্বেও বাইরে থেকে খুব স্বাস্থ্যজ্জল দেখাতে পারে এবং তিনি বহুদিন সুস্থ থাকতে পারেন । সংক্রমণ ধরা পড়লে কেবল এইচ আই ভি /এন্টিবডি পরীক্ষায়। যদি এইডস পরীক্ষায় কারণ দেহের সংক্রমণ হয়েছে এরকম ধরা পড়ে এবং তা দ্বিতীয়বারের পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায় তাহলে বুঝতে হবে যে ব্যক্তিটির অবশ্যই এইডস এইড সংক্রমণ হয়েছে।

* এইডস রোগের লক্ষণ কি কি?

উত্তর : একজন এইডস রোগীকে বাইরে থেকে দেখতে একদম স্বাভাবিক। সংক্রমণ হওয়ার বহু পরে লক্ষণ গুলি ফুটে ওঠে। লক্ষনগুলি দীর্ঘস্থায়ী এবং নিচে সেগুলি দেওয়া হল-

1. কয়েক সপ্তাহ বা আরো বেশি সময় ধরে ঘুষ ঘুষে জ্বর ঘুমের সময় অতিরিক্ত ঘাম সহজে যার কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না।

2. মাঝেমধ্যেই লাগাতার উদারাময় যার কারণ সহজে খুঁজে পাওয়া যায় না।।

3. ক্রমাগত ক্লান্তি এবং বহু ব্যাবধানে দেহের ওজন শতকরা ১০ থেকে ২০ ভাগ হ্রাস যার কারণ সহজে খুঁজে পাওয়া যায় না।

4. অনবরত কাশি এবং হাঁপানির মতো অস্বস্তি।

এডস ( AIDS ) রোগের চিকিৎসা : 

বর্তমান এইডস কোন চিকিৎসা নাই এবং অতুল ভবিষ্যতে এর কোন টিকা বেরোবে এমন কোন সম্ভাবনা নাই। যাই হোক AZT, DI/A,DDC জাতীয় নতুন ওষুধ ব্যাধির প্রকোপ অনেকখানি কমিয়ে দেয় এবং রোগের জটিলতা বৃদ্ধিকে ঠেকিয়ে রাখে। এইসব ঔষধ এর মাধ্যমে অনেক রোগ জীবাণু আক্রমণ থেকে রোগীকে সাময়িকভাবে রক্ষা করা যায়।

কাদের এইডস হওয়ার আশঙ্কা বেশি?

উত্তর : যেকোনো ব্যক্তির এই রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি আছে বিশেষ করে যাদের যৌনসঙ্গী বা সঙ্গিনী সংখ্যা বহু। যাদের যৌন সংস্পর্শ জনিত অন্যান্য বৃদ্ধি আছে যারা অপরিচিত সুচ বা সিরিঞ্জ ব্যবহার করেন যে শিশুরা এইডস রোগাক্রান্ত মায়ের গর্ভস্থ এবং যারা উল্কি করা কান বাধানো বা ইনজেকশন নেওয়ার সময় সাধিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেন না এবং যারা ইনজেকশনের মাধ্যমে পরস্পরে মাদকদ্রব্য ব্যবহার করেন।

** এডস (AIDS) কিভাবে এর প্রতিরোধ করার উপায় : 

এইডস রোগ প্রতিরোধের জন্য যা অবশ্যই মনে রাখতে হবে তা হল:

নিরাপদ যৌন সংস্পর্শ - যৌনসঙ্গী বা সঙ্গিনী থাকুন একজন সঙ্গী বেশি হলে কনডম ব্যবহার করতে হবে ঠিকভাবে কনডম ব্যবহার করলে ঝুঁকি কমে।

নিরাপদ রক্ত গ্রহণ- রক্তগ্রহ নেওয়ার ব্যাপারে সাবধান ও সতর্ক হতে হবে। পূর্ব পরিক্ষিত রক্ত বা রক্তজাত ওষুধ ব্যবহার করতে হবে।

নিরাপদ সূচ ব্যবহার- সব সময় জীবাণুমুক্ত এবং একবার ব্যবহার করে ফেলে দেওয়া যায়। এমন সুইচ বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে। উল্কি করা ব্যবহৃত সূচ এমনকি নাপিতের কাছে দাড়ি কামানোর সময় খুব বা যন্ত্রপাতি যাতে পরিশোধিত হয় সেদিকে নজর দিতে হবে।


Tags

Post a Comment

0 Comments